আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি রাজ্যের মধ্যে প্রবল যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয়। আগে থেকেই তাদের মধ্যে মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব বিরাজমান ছিল। দুই শক্তির দ্বন্দ্বের কারণে সমগ্র অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। শেষপর্যন্ত একটি শক্তির পতনের মধ্য দিয়ে এর অবসান ঘটে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধটি হলো স্নায়ুযুদ্ধ। স্নায়ুযুদ্ধ অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা অপরিসীম।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্নায়বিক উত্তেজনা বেড়েছিল। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে, সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভের প্রচেষ্টায় স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। ক্ষমতা লাভের পর গর্বাচেভ স্থবির অর্থনীতি, শাসক দলের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, সোভিয়েত সমাজব্যবস্থার অবক্ষয় লক্ষ করেন। এসব অবস্থা মোকাবিলার জন্য তিনি পেরেস্তোইকা ও গ্লাসনস্ত নীতি গ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালের জুন মাসে তিনি অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও কৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জানান যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন পশ্চিমের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে আগ্রহী। ১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং সোভিয়েত নেতা। মিখাইল গর্বাচেভ মাল্টায় শীর্ষ বৈঠকে সরকারিভাবে উভয় দেশের মধ্যকার দীর্ঘকালের স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের ঘোষণা দেন। তবে স্নায়ুযুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটে ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে। তবুও স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের সব কৃতিত্ব গর্বাচেভের প্রাপ্য।
উদ্দীপকে দুটি রাজ্যের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিলে একটি শক্তির পতনের মধ্য দিয়ে এর অবসান ঘটে। যা ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের অবসানকে নির্দেশ করে। স্নায়ুযুদ্ধ অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা অপরিসীম।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?